হস্তমৈথুন থেকে বাঁচার উপায় জেনে নিন

হস্তমৈথুন বা মাষ্টারবেশন একটি বদভ্যাস মাত্র, এর কুফল হিসাবে বৈবাহিক জীবনে অপুর্ণতা, অসুখি, দাম্পত্যে লজ্জিত হওয়া ছাড়া, সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতাও হতে পারে। আসুন জেনে নিই হস্তমৈথুন থেকে বাঁচার উপায় কি

আপনি সত্যিই যদি হস্তমৈথুন বা মাষ্টারবেশন ছাড়তে চান, আপনার যদি সদিচ্ছা থাকে, তাহলে আজকের এই লেখা বা নিয়মগুলো অনুসরণ করলে, কথা দিচ্ছি মাস্টারবেশন তো ছেড়েই দিবেন! বোনাস হিসাবে এলাকার সবচেয়ে ভাল ছেলেয় পরিনত হবেন। অনেক বড়লোক বা বংশধর পরিবারের মেয়েও আপনার ভাগ্যে জুটতে পারে। ট্রাই করে দেখেন-

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 1

হস্তমৈথুন করলে কি ক্ষতি হয়

মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন এর কারণে বাবা হওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে, এটি মাথায় রাখুন এই ভয়টা আপনার জন্য খুব ভাল কাজ করবে। পুরুষের বন্ধাত্ব হয়, এর জন্য দায়ী অতিরিক্ত হস্তমৈথুন। অল্প বয়সে জীবনে হতাশা তৈরি করে। স্ত্রীর সাথে যৌনমিলনে অক্ষম হওয়ায় স্ত্রী পরকিয়ায় লিপ্ত হতে পারে। অথবা বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে।

গবেষনায় জানা যায়, অতিরিক্ত হস্তমৈতুনকারীদের সংসার জীবন তেমন সুখকর হয়না, যদি সঠিক সময় তার সঠিক চিকিৎসা না পরে। তাই আজ থেকে হস্তমৈতুনকে না বলুন এবং পেনিজের যতটুকু ক্ষতি হয়েছে তা পুষানোর ব্যবস্থা করুন।

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 2

মাষ্টারবেশন কিভাবে ছাড়বেন

মাস্টারবেশন থেকে বাঁচার কিছু সহজ উপায় ও গোপন পাপ থেকে বাঁচতে চান- অথচ ছাড়তে পারছেন না তারা প্রথমত যা করবেন, উপুড় হয়ে ঘুমাবেন না৷ এতে গোপনাঙ্গে ঘর্ষণ পরবেনা, তা উত্তেজিতোও হবেনা। তারপর যা করবেন, উলঙ্গ হয়ে ঘুমাবেন না। এতে শয়তান ভর করে, কুমন্ত্রনা দেয়, ধর্মীয় মুল্যবোধ কমে যায়, যার কারনে পশুস্বভাব মনোভাব চলে আসে। কল্পনায় রাত কাটে, হঠাৎ করেই ইচ্ছে জাগে হস্তমৈথুনের। তাই উলঙ্গ হয়ে ঘুমাবেননা।

লজ্জাস্থানে যথাসম্ভব হাত লাগানো থেকে বিরত থাকুন। লজ্জাস্থানে হত রাখলে অনেক সময় কুচিন্তা মাথায় ভর করে। তা থেকেও মন অন্যদিকে ডাইভার্ট হতে পারে।
মেয়েদের ফেসবুক থেকে আনফ্রেন্ড করুন৷ এমনকি যাদের প্রোফাইলে মেয়ে ফ্রেন্ড বেশি তাদেরও আনফ্রেন্ড করুন। এবং চেষ্টা করুন মেয়েদের সাথে কথা কম বলার জন্য।
তাতে মানসিকভাবে আপনি নিয়ন্ত্রিত থাকতে সহায়ক হবে।

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 3

হস্তমৈথুন ছেড়ে দেয়ার কিছু কৌশল

শুধুমাত্র পর্ণো নয় বরং নাটক, সিনেমা, মুভি, সিরিয়াল দেখা থেকে বিরত থাকুন,
বা শরীলে উত্তেজনা আসে এ ধরনের চিন্তাভাবনা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। কারো সহযোগীতা ছাড়াই, আপনাকে আপনিই পারবেন নিয়ন্ত্রণ করতে। জীবনের পুর্ণস্বাদ পেতে এটুকু করেই দেখুন।

নিজের দৃষ্টিপাত যথাসম্ভব ভাল করুন,
যে কোন সময় খারাপ কিছু দেখে এগুলি থেকে নিজের দৃষ্টি সরিয়ে রাখুন।
মোবাইলে ধর্মীয় কথা বা আলোচনা গজল, ওয়াজ ডাউনলোড করে রাখুন। আদর্শ জীবনও গড়তে পারবেন, শরীরটাও ফ্রেশ থাকবে।

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 4

ফেসবুকে ধর্মীয় গুরু বা আলেম-ওলামা
এবং এবং কারো কাছ থেকে কিছু শিখা যায়, এমন লোকদের সাথে ফ্রেন্ডশিপ করুন। চিন্তা করুন মানবকল্যানে আসে এমন কিছু আপলোড করা যায় কিনা। মেসেঞ্জারে কি পেলেন, ক্ষতি ছাড়া? কিন্তু রিল ভিডিও, বা ভিডিও পোস্টে সমাজের অসংগতি, অবহেলা, অন্যায়গুলো তুলে ধরে, আইডল হিসাবে ভাইরাল হওয়ার চেষ্টা করুন।

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 5

আরো পড়ুন- দ্রুত বীর্য পাতের প্রাকৃতিক চিকিৎসা

Advertisements
Ad 6

হস্তমৈথুন ছাড়তে ধর্মীয় জীবনের গুরুত্ব কি

ধর্মীয় পেইজ ও গ্রুপগুলিতে যুক্ত হয়ে এবং ধর্মীয় এবং গুণীজনের কথা গুলো স্মরণ করুন মনে রাখুন। চেষ্টা করুন উপদেশ অনুযায়ী চলতে। মনকে পুরোপুরি ডাইভার্ট করুন অন্যরকম জীবন গড়তে। হস্তমৈথুন থেকে বাঁচতে গিয়ে, সম্মানী এক জীবন পেয়ে গেলে, এমন এক নারী হয়ত পেয়ে যাবেন- যা হয়ত কল্পনাও করেননি!

নিয়মিত নামাজ পড়ুন শরীর ও মন পবিত্র রাখুন। মেয়েদের প্রাইভেট টিওটর হিসেবে পড়ানো বাদ দিতে পারেন, যদিও পড়ান তা হলে তার দিকে কখন কু-দৃষ্টিতে তাকাবেন না, তাকে আপনার মা বোন বা নিজ পরিবারের কারো মতো ভাবুন, যেন তার ক্ষতি আপনার দ্বারা না হয়।

নিজেকে কোনো না কোনো কাজে ব্যস্ত রাখুন। কোনো কাজ না থাকলে আপনার ধর্ম অনুযায়ী ধর্মীয় বই পড়ে সময় পার করুন৷ সময় থাকলে ২/৩ মাসে জন্য ধর্মীয় প্রচারে নিজেকে উৎসাহিত করুন তা অবশ্য ই আপনার ধর্ম অনুযায়ী।

তাই হস্তমৈথুন ছাড়তে ইউটিউবে বেশি বেশি ধর্মীয় চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে রাখুন৷ উত্তেজিত অবস্থায় বিছানা থেকে উঠে একটু বাহিরে গিয়ে হাটাহাটি করুন। অথবা গুগল মামার কাছ থেকে বিভিন্ন বিষয় জানার চেষ্টা করুন। একই বিষয়ে যতগুলো সাইট আছে, সবার পোস্টগুলো পড়ুন, কার পোস্ট ভাল হলো, তাকে কমেন্ট করুন। সময় কাটবে, সাথে একটি লেখার প্রতিদানও দেয়া হয়ে গেল।

অন্যদের মাস্টারবেশন থেকে বিরত থাকতে নসীহত করুন৷ এটা আপনার নিজের জন্যে টনিক হিসেবে কাজ করবে৷ কখনোই নিরাশ বা হতাস হওয়া যাবে না৷ নিরাশ হলেন তো হেরে গেলেন৷ যতটা সম্ভব এই বদোভ্যাসের বিরুদ্ধে নিজের সংগ্রাম চালিয়ে যান৷

হস্তমৈথুন ছাড়তে রোজা রাখুন মাঝে মাঝে। আর বর্তমান যুগের প্রেম করা বাদ দিন। আপনি যে কাজ করেছেন তার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন, ক্ষমা চাওয়ার অভ্যাস করুন। কারণ গভীর রাতেই এই কুকর্মগুলি সংঘটিত হয়৷ রাতে একা ঘুমাবে না। প্রতিদিন ধর্মীয় বই গুলো বেশি বেশি করুন করুন৷ নিয়মিত গোসল করুন৷ দেখবেন দেহের সাথে মনটাও পরিস্কার হয়ে যাবে।

হস্তমৈথুনের সামাজিক কুফল

বিয়ের টার্গেট সেট করুন। হস্তমৈথুনের সামাজিক কুফলের কথা ভাবুন এবং এই হস্তমৈথুন জন্য পুরুষের যৌন আকাঙ্ক্ষা একবারে নষ্ট হয়ে যাবে এবং ধ্বজভঙ্গ হয়ে যাবে ও পুরুষাঙ্গ ছোট হয়ে যাবে এই জিনিসগুলো সব সময় আপনার মাথায় রাখুন এবং যখন আপনি আপনার স্ত্রীকে যৌন তৃপ্তি দিতে পারেন না তখন আপনার
স্ত্রী অতৃপ্ত থাকলে পরকীয়া করবে, এই কথাটা মাথায় রাখুন৷

হস্তমৈথুন থেকে বাঁচার উপায় গুলো জানিয়ে দিলাম। স্বাস্থ্য আপনার জীবনও আপনার, কেমন রাখবেন, তাও আপনার উপরই নির্ভর করে। তবে, আমি চাই আপনি সুস্থ্য থাকুন

আরও পড়ুন – লজ্জাস্থান বা যৌনাঙ্গের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 7

Leave a Comment

অর্ডার করুন