হারবাল তেল তৈরির নিয়ম কি

হারবাল কয়েকটি তেল তৈরির নিয়ম সম্পর্কে একটু ধারণা দেয়ার প্রয়োজনবোধ করছি। কারন এসব নিয়ে খুব কম লেখালেখি হয়। এসব তৈল কল্প একদিন হয়ত হারিয়ে যাবে। আসুন হারবাল তেল এর প্রস্তুতি জেনে নিই।

হারবাল তেল কি

তেল জাতীয় দ্রব্যকে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে স্নেহ বলে থাকে। অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এসব তেলের আবশ্যকতা আছে। বিশেষ করে পুরাতন রোগে এর ব্যবহার বেশী হয়। বাত রোগে এখনো মালিশের বিকল্প দেখা যায়না। এছাড়াও রোগ প্রভাবে রুক্ষতা ও কৃশতা, ধাত্বাদির ক্ষয় নিবারনে স্নেহ পক্ব ঔষধ উপকারী স্নেহপাক করতে ক্বাথ দ্বারা, দুগ্ধ দ্বারা, গন্ধ দ্বারা পাক করতে হয়। তবে, যেকোন স্নেহ দ্বারা পাক করার আগে তার মুর্ছা পাক করতে হবে। মুর্ছা পাক করলে স্নেহের বা তেলের ভেজাল অংশ দূর হয়। ফলে এই তেলের কার্যকারিতা বেড়ে যায়।

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 1

কুট তেলের মুর্ছা তৈরির নিয়ম

কুট তেলকে লোহার কড়াইতে মৃদু আছে জাল দিতে হবে, নিষ্ফেন হলে মঞ্জিষ্ঠা, আমলকি, মুতা, বেলছাল, দাড়িমছাল, নাগেশ্বর, কালোজিরা, বালা, নালুকা ও বহেরা মেশাতে হবে। ৪ কেজি কুট তেলের মুর্ছা তৈরী করতে ২৫০ গ্রাম মঞ্জিষ্ঠা এবং অন্যান্য দ্রব্য ২৫ গ্রাম করে দিয়ে ১৬ লিটার পানি দিতে হবে।

এরন্ড তেলের মুর্ছা কিভাবে তৈরি করতে হয়

এরন্ড তেল আগের মতই জাল দিতে হবে, এর সাথে মঞ্জিষ্ঠা, ধনিয়া, ত্রিফলা, জয়ন্তীপাতা, বালা, বনখর্জুর, বটশুঙ্গা, হরিদ্রা, দারুহরিদ্রা, নালুকা, কোয়ারঝুরি, দই, ও কাজি মেশাতে হবে। বাকিটা কুট তেলের মুর্ছার মতোই।

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 2

তিল তেলের মুর্ছা কিভাবে তৈরি করতে হয়

আগের নিয়মে কড়াইতে মৃদু আছে জাল দিতে হবে। হরিদ্রা, মঞ্জিষ্ঠা, লোধ, মুতা, নালুকা, ত্রিফলা, কোয়ারঝুরি, ও বালা এর কল্ক মেশাতে হবে। এবং তেলের ৪ গুন পানি দিয়ে পাক করে অল্প থাকতেই নামাতে হবে। ৭ দিন খোলা অবস্থায় রেখে দিতে হবে, প্রয়োজনে নেট ব্যবহার করতে পারবেন। এই তেলের মুর্ছার পরিমান হলো- মঞ্জিষ্ঠা তেলের ১৬ ভাগের ১ ভাগ, এবং অন্যান্য উপাদান এক চতুর্থাংশ।

গন্ধ দ্রব্যের উপাদান কি কি

গন্ধ দ্রব্যের উপাদান হলো- এলাচি, চন্দন, জাফরান, অগুরু, মুরামাংসী, কাকলা, জটামাংসী, শটী, সরলকাঠ, তেজপাতা, গেটেলা, কর্পুর, শৈলজ, বেনামুল, নখী, খউশী, শিলারস, মুতা, মেথি ও লবঙ্গ।

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 3

এগুলো ঘি দিয়ে পাক করতে হয়। এসব তেল একদিনে পাক না করে কয়েকদিনে পাক করলে কার্যকারিতা বেশী হয়। ব্যবহারবিধি আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের নিয়ম অনুসারে- পান, অভ্যঙ্গ, নস্য ও বস্তিকর্মে ব্যবহার্য্য।
সূত্র- রসশাস্ত্র ও ভৈষজ্য কল্পনা থেকে বাআজাফ থেকে নেয়া।

আরও পড়ুন – হারবাল চিকিৎসা কি | আদি ও আসল চিকিৎসা কোথায় পাবেন

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 4
অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 7

অর্ডার করতে ক্লিক করুন
Ad 5

Leave a Comment

অর্ডার করুন